1. rajibm250@gmail.com : 24rajibliVe :
ইসরায়েলে যে নতুন নেতৃত্ব আসছে তাতে আশ্বস্ত নন ফিলিস্তিনিরা
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

ইসরায়েলে যে নতুন নেতৃত্ব আসছে তাতে আশ্বস্ত নন ফিলিস্তিনিরা

  • Update Time : শনিবার, ৫ জুন, ২০২১
  • ২৭ Time View
ইসরায়েলে যে নতুন নেতৃত্ব আসছে তাতে আশ্বস্ত নন ফিলিস্তিনিরা
ইসরায়েলে যে নতুন নেতৃত্ব আসছে তাতে আশ্বস্ত নন ফিলিস্তিনিরা

ইসরায়েলে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়া প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু নতুন যে নেতৃত্ব আসতে চলেছে তা নিয়ে ফিলিস্তিনিরা আশ্বস্ত নন।

ইসরায়েলে নতুন সরকার গঠনে বিরোধী নেতাদের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে তাতে প্রথম দুই বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন নাফটালি বেনেট। এরপর প্রধানমন্ত্রী হবেন বর্তমান সংসদের বিরোধী নেতা ইয়াইয়া লাপিদ।

সাম্প্রতিক সংঘাতের বেশিরভাগ দায় ফিলিস্তিনিদের বলে বৃহস্পতিবার মন্তব্য করেন সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফটালি বেনেট। ইসরায়েলের গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, সত্যটা অবশ্যই বলতে হবে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে যে সংঘাত, সেটা এলাকা নিয়ে নয়। ফিলিস্তিনিরা এখানে আমাদের অস্তিত্ব স্বীকার করে না এবং মনে হচ্ছে এই মনোভাব আরো অনেকদিন থাকবে।
প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা পিএলওর একজন প্রতিনিধি বাসেম আল-সালহি বলছেন, যিনি প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি নেতানিয়াহুর চেয়ে কম চরমপন্থি নন। তিনি কতটা চরমপন্থি তা প্রমাণের চেষ্টা চালাবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গাজার এক সরকারি কর্মকর্তা আহমেদ রেজিকের কণ্ঠেও একইরকম সুর শোনা গেছে। ‘‘ইসরায়েলের নেতাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই বলে মনে করেন তিনি। ‘‘তারা তাদের দেশের জন্য ভালো কিংবা খারাপ। কিন্তু আমাদের প্রশ্নে তারা সবাই খারাপ এবং তারা সবাই ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও ভূমি ফিরিয়ে দিতে চান না।”

গাজা শাসন করা হামাসও বলছে, ইসরায়েলে সরকারে কে নেতৃত্বে আছে সেটা কোনো পার্থক্য নিয়ে আসে না। ‘‘ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলে ডান, বাম, মধ্যপন্থি এমন কয়েক ডজন সরকার দেখেছে। কিন্তু তারা সবাই ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রশ্নে বৈরী মনোভাব দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেন হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম।

এই প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি সরকারের অংশ হতে যাচ্ছে একটি ইসলামি দল। ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার ২১ শতাংশ আরব সম্প্রদায়ের। তারাই ভোট দিয়ে ওই দলকে সংসদে পাঠিয়েছে। এই আরবদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিলিস্তিনের মতো, তবে তারা ইসরায়েলের নাগরিক।

ইসলামি ওই দলের নেতা মনসুর আব্বাস বলেন, বিরোধীদের মধ্যে সরকার গঠনের যে চুক্তি হয়েছে, তার আওতায় ইসরায়েলের আরব অধ্যুষিত শহরগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেখানে সহিংসতা কমাতে ১৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে।

তবে পশ্চিম তীর ও গাজায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন মনসুর আব্বাস। তিনি ‘শত্রু’র পক্ষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

মনসুর আব্বাস সম্পর্কে গাজার বাসিন্দা বাদরি করম বলেন, ‘‘তিনি একজন বিশ্বাসঘাতক। গাজায় নতুন করে যুদ্ধ শুরু করতে যখন তার মত চাওয়া হবে তখন তিনি কী করবেন? তিনি কি তাতে সায় দেবেন এবং ফিলিস্তিনিদের হত্যার অংশীদার হবেন?”

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণের কট্টর সমর্থক নাফটালি বেনেট। তিনি সেটা চালিয়ে যেতে চান। তবে ফিলিস্তিনিদের জন্য কিছু শর্ত সহজ করার পক্ষে তিনি। ‘‘এ প্রশ্নে আমার ভাবনা হচ্ছে সংঘাত কমিয়ে আনা। আমরা এটার সমাধান করবো না। তবে যেখানে সম্ভব সেখানে শর্ত সহজের চেষ্টা করবো-যেমন আরো ক্রসিং পয়েন্ট বসানো, জীবনমানের উন্নতি করা, আরো ব্যবসা, আরো শিল্প স্থাপন-এসব আমরা করবেন বলে জানান নাফটালি বেনেট। সূত্র: ডয়েচে ভেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 24live.com.bd
Theme Customized By BreakingNews